বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। এখানে সুদূর অতীতকাল থেকেই নদীপথে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া দেশের সমুদ্র উপকূলে গড়ে উঠেছে বৃহৎ সমুদ্র বন্দর।
এছাড়াও বিভিন্ন স্থলবন্দর রয়েছে ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর- বেনাপোল, যশোর।
- দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর- হিলি, দিনাজপুর।
- মায়ানমারের সাথে বাণিজ্য কার্য চলে- টেকনাফ বন্দর দিয়ে
- ভারত ও ভুটানের সাথে বাণিজ্য চলে- বুড়িমারী বন্দর দিয়ে।
আলোচিত কয়েকটি স্থলবন্দরের অবস্থান
- সোনা মসজিদ- চাঃ নবাবগঞ্জ
- হিলি- দিনাজপুর
- বেনাপোল-যশোর
- বুড়িমারী- লালমনিরহাট
- বিরল- দিনাজপুর
- হালুয়াঘাট- ময়মনসিংহ
- টেকনাফ- কক্সবাজার
- বাংলাবান্ধা- পঞ্চগড়
- তামাবিল- সিলেট
- বিবির বাজার- কুমিল্লা
- বিলোনিয়া- ফেনী
- ভোলাগঞ্জ- সিলেট
- চিলাহাটি- নীলফামারী
- ভোমরা- সাতক্ষীরা
- মুজিবনগর- মেহেরপুর
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দর - ৩ টি। চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা বন্দর।
- বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর- চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর।
- বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার বলা হয়- চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে।
- চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর প্রতিষ্ঠা হয়- ১৮৮৭ সালে ব্রিটিশ আমলে।
- মংলা সমুদ্র বন্দর প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৫০ সালে পাকিস্তান আমলে।
- মংলা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত- বাগেরহাট জেলার পশুর নদীর তীরে।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্র বন্দর- পায়রা সমুদ্র বন্দর (২০১৩)
- পায়রা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত রামনাবাদ চ্যানেলে, কলাপাড়া পটুয়াখালীতে ।
- চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর অবস্থিত- চট্টগ্রামে, কর্ণফুলী নদীর তীরে।
- দেশে প্রস্তাবিত গভীর মাতাবাড়ী সমুদ্র বন্দর নির্মিত হবে- কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর। এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত। ইংরেজ শাসনের প্রথম দিকে ইংরেজ ও দেশীয় ব্যবসায়ীরা বার্ষিক এক টাকা সেলামির বিনিময়ে নিজ ব্যয়ে কর্ণফুলি নদীতে কাঠের জেটি নির্মাণ করেন। পরে ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম দুটি অস্থায়ী জেটি নির্মিত হয়। ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনার গঠিত হয়। ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম বন্দরে দুটি মুরিং জেটি নির্মিত হয়। ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে ২৫ এপ্রিল চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনার কার্যকর হয়। ১৮৯৯-১৯১০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনার ও আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে যুক্তভাবে চারটি স্থায়ী জেটি নির্মাণ করে । ১৯১০ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে রেলওয়ে সংযোগ সাধিত হয়। ১৯২৬ সালে চট্টগ্রাম বন্দরকে মেজর পোর্ট ঘোষণা করা হয়। পাকিস্তান আমলে ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনারকে চট্টগ্রাম পোর্ট ট্রাস্ট-এ পরিণত করা হয়, বাংলাদেশ আমলে ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে চট্টগ্রাম পোর্ট ট্রাস্ট-কে চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটিতে পরিণত করা হয়। এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থা।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
পায়রা বন্দর বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের তৃতীয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার একটি সামুদ্রিক বন্দর। এটি বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত। ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া গ্রামে এর ভিত্তিফলক উন্মোচন করেন। ২০১৬ সালের ১৩ আগস্ট সমুদ্র বন্দরটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
মোংলা বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলায় পশুর নদীর তীরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বন্দর। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ও দ্বিতীয় ব্যস্ততম সমুদ্র বন্দর। ১৯৫০ সালের ১ ডিসেম্বর ‘চালনা বন্দর’ নামে এর যাত্রা শুরু হয় এবং ভৌগোলিক ও নাব্যতার সুবিধার কারণে পরবর্তীতে মোংলায় স্থানান্তরিত হয়। বন্দরটি পশুর ও মোংলা নদীর সংযোগস্থলের নিকটে অবস্থিত হওয়ায় বড় আকারের সমুদ্রগামী জাহাজ সহজে নোঙর করতে পারে। খুলনা মহানগরীর খালিশপুরে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত এবং রেল, নৌ ও সড়কপথে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত।
চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর চাপ কমাতে এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে মোংলা বন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভারত, নেপাল ও ভুটানসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক জাহাজ এই বন্দর ব্যবহার করছে। বন্দরে জেটি, শেড, ওয়্যারহাউজ ও ভাসমান নোঙরস্থলসহ আধুনিক অবকাঠামো রয়েছে এবং এটি ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম চালু রাখে। প্রতিবছর শত শত জাহাজের মাধ্যমে মিলিয়ন মেট্রিক টন পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়। ভবিষ্যতে বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে খনন ও নতুন জেটি নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বাংলাদেশের বিমানবন্দরসমূহ
বাংলাদেশে অবস্থিত সকল বেসামরিক বিমানবন্দর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (CAAB) কর্তৃক পরিচালিত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। এছাড়া সামরিক ও প্রশিক্ষণ উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী কর্তৃক কয়েকটি বিমানঘাঁটি ও এয়ারফিল্ড ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে দেশে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ৪টি অভ্যন্তরীণ (ঘরোয়া) বিমানবন্দর এবং ৪টি স্বল্প পরিসরের (STOL) বিমানবন্দর রয়েছে। পাশাপাশি একটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর নির্মাণাধীন রয়েছে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে নির্মিত কিছু এয়ারস্ট্রিপ এখনও বিদ্যমান।
বিমানবন্দরের শ্রেণি ও ভূমিকা
বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলো আন্তর্জাতিক, ঘরোয়া, স্টলপোর্ট, সামরিক, ভবিষ্যৎ ও অব্যবহৃত—এই শ্রেণিতে বিভক্ত। ভূমিকার দিক থেকে কিছু বিমানবন্দর বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনা করে, কিছু সামরিক বা প্রশিক্ষণ কাজে ব্যবহৃত হয় এবং কিছু বিমানবন্দর বর্তমানে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য বন্ধ রয়েছে।
বিভাগভিত্তিক বিস্তৃতি
দেশের প্রায় সব বিভাগেই বিমানবন্দর রয়েছে, তবে ময়মনসিংহ বিভাগে কোনো বিমানবন্দর নেই। ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশের প্রধান বিমানবন্দর হিসেবে আন্তর্জাতিক যোগাযোগের কেন্দ্র। চট্টগ্রামে শাহ আমানত ও কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সিলেটে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রবাসী যাত্রী পরিবহনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। যশোর, রাজশাহী, সৈয়দপুর ও বরিশাল বিমানবন্দর ঘরোয়া ফ্লাইট পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ, আর খুলনা বিভাগে খান জাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণাধীন অবস্থায় রয়েছে।
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে তিনটি -
- ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
- চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
- সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
- এছাড়া ককক্সবাজারে নতুন হচ্ছে একটি
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more